default-image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এমডিবি) ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা থেকে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ১ হাজার ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ঋণসুবিধা ১ হাজার ৬৪০ ডলার এবং অনুদান ১৭৭ দশমিক ৩৬ মিলিয়ন ডলার। এসব প্রতিশ্রুতির মধ্যে ১ হাজার ৫২০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলার অর্থ ছাড় হয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সাংসদ মসিউর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি জানান, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও ফ্রান্সের কাছ থেকে ১ হাজার ৯১৮ মিলিয়ন ডলার সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া করোনা টিকার অর্থায়নসহ আরও বৈদেশিক সহায়তা প্রাপ্তির লক্ষ্যে কাজ চলছে। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

বিজ্ঞাপন

সরকারি দলের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে করোনার টিকার অগ্রাধিকার তালিকা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী যাঁরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা পাবেন, তাঁরা হলেন কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ৪ লাখ ৫২ হাজার ২৭ জন স্বাস্থ্যকর্মী, অনুমোদিত ছয় লাখ বেসরকারি ও প্রাইভেট স্বাস্থ্যকর্মী, দুই লাখ ১০ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৬২০ জন সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য ৩ লাখ ৬০ হাজার ৯১৩ জন, রাষ্ট্র পরিচালনায় অপরিহার্য ৫০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী, ৫০ হাজার গণমাধ্যমকর্মী, ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৯৮ জন জনপ্রতিনিধি, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দেড় লাখ কর্মচারী, ৫ লাখ ৪১ হাজার ধর্মীয় প্রতিনিধি, মৃতদেহ সৎকারে নিয়োজিত ৭৫ হাজার ব্যক্তি, জরুরি সেবার (পানি, গ্যাস, পয়োনিষ্কাশন, বিদ্যুৎ, ফায়ার সার্ভিস, পরিবহনকর্মী) চার লাখ কর্মী, স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরের দেড় লাখ কর্মী, ১ লাখ ২০ হাজার প্রবাসী অদক্ষ শ্রমিক, জেলা–উপজেলায় কর্মরত জরুরি সেবায় নিয়োজিত চার লাখ সরকারি কর্মচারী, ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬২১ জন ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বল্প রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার (যক্ষ্মা, এইডস, ক্যানসার) ৬ লাখ ২৫ হাজার জনগোষ্ঠী, ৬৪ থেকে ৭৯ বছর বয়সী ১ কোটি ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৫৮ জন্য ব্যক্তি, ৮০ বছর ও তদূর্ধ্ব ১৩ লাখ ১২ হাজার ৯৭৩ জন জনগোষ্ঠী, জাতীয় দলের খেলোয়াড় ২১ হাজার ৮৬৩ জন এবং বাফার, ইমার্জেন্সি, আউটব্রেক ১ লাখ ৭০ হাজার জন।

বেনজীর আহমেদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে ২৫০ কিলোমিটার সাবওয়ে বা আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো নির্মাণে ৩২১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। এ প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৬০ শতাংশ।

সম্ভাব্যতা সমীক্ষার মাধ্যমে এলাইনমেন্ট চূড়ান্ত করে যথাসময়ে এর বাস্তবায়ন শুরু করা সম্ভব হবে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন