বিজ্ঞাপন

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৮৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৪৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৪০ দশমিক ৯। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৮ হাজার ৯৯৩ জন।

জানা গেছে, গত বছরের ১১ এপ্রিল জেলায় প্রথম করোনায় আক্রান্ত এক রোগীর মৃত্যু হয়। এর পর থেকে আজ বুধবার পর্যন্ত কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও ১৭টি উপজেলায় করোনায় ৫৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনেই ৮৫ জন মারা গেছেন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে এই জেলায় ছয়জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

এখন পর্যন্ত পুরো জেলার মধ্যে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকায় সর্বোচ্চ ১৮১ জন মারা গেছেন। বাকিদের মধ্যে দেবীদ্বারে ৪৭ জন, বরুড়ায় ৩৮, চান্দিনায় ৩৭, আদর্শ সদরে ৩৫, মুরাদনগরে ৩৪, লাকসামে ৩৩, নাঙ্গলকোটে ২১, সদর দক্ষিণে ১৯, মনোহরগঞ্জে ১৫, ব্রাহ্মণপাড়ায় ১০, চৌদ্দগ্রামে ও বুড়িচংয়ে ৩২ জন রয়েছেন। এ ছাড়া দাউদকান্দি, লালমাই, হোমনা ও তিতাসে সাতজন করে মারা গেছেন। তবে এখন পর্যন্ত জেলার মেঘনা উপজেলায় কোনো করোনা রোগীর মৃত্যু হয়নি।

জেলার সিভিল সার্জন মীর মোবারক হোসাইন বলেন, ‘করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট শহর ও গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সংকটাপন্ন রোগীরা দেরি করে হাসপাতালে আসছেন। যে কারণে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। এ অবস্থায় সবাই ঘরে থাকুন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে জীবন যাপন করুন।’

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন