বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কুড়িগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর জেলার ৪৪টি ইউনিয়নের চরের বাসিন্দাদের করোনার টিকা দেওয়া হবে। চরের মানুষকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেওয়া হবে। দুই মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে সিভিল সার্জন বলেন, চরের বাসিন্দাদের টিকার জন্য আগে নিবন্ধন করার দরকার হবে না। জাতীয় পরিচয়পত্র দেখালে তাঁদের টিকা নেওয়া যাবে।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৪৪টি চরে টিকা দেবে স্বাস্থ্যকর্মীদের ৯০টি দল। এই কাজে সহায়তা করবে স্বেচ্ছাসেবকদের আরও ৯০টি দল।

দেশে প্রায় ১১ মাস আগে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হলেও প্রত্যন্ত অঞ্চল বিশেষ করে চরাঞ্চল, উপকূল ও পাহাড়ি এলাকায় টিকাদানের পরিমাণ কম।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনার টিকা কমিটির সদস্যসচিব ডা. শামসুল হক প্রথম আলোকে বলেন, প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দাদের টিকার আওতায় আনার চিন্তা চলছে। তারই অংশ হিসেবে কুড়িগ্রামের চরে টিকা দেওয়া হবে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন