বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কেন্দ্রটিতে সারি ধরে দাঁড়িয়ে টিকার অপেক্ষায় ছিলেন শাকিল নামের এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, ‘নিবন্ধন করেছি ১০ দিন আগে। এখনো এসএমএস আসেনি। তাই আজ লাইনে দাঁড়িয়ে দেখি, টিকা দিতে পারি কি না।’

বৃষ্টির মধ্যে ভিড় দেখা গেছে নগরের জেনারেল হাসপাতাল কেন্দ্রেও। সেখানে টিকাদানের খুদে বার্তা না পেয়েও অনেকে হাজির হয়েছেন বলে জানান হাসপাতালটির আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা আহমেদ তানজিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘টিকার জন্য মানুষ ভিড় করছে। যাদের এসএমএস আসেনি, তারাও টিকা নিতে আসছে। আমরা এসএমএস ছাড়া কাউকে টিকা দিচ্ছি না। ভিড় এড়াতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ বেলা ২টা থেকে দিয়েছি।’

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি জহরলাল হাজারী বলেন, ‘মানুষ বৃষ্টিতে কষ্ট করে লাইনে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সবাই টিকা পাবে না। কারণ, অনেকে এসএমএস ছাড়া এসেছে। বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে যদি ছাউনির ব্যবস্থা করা যেত, তাহলে ভালো হতো। স্বাস্থ্যবিধিও এখানে মানা সম্ভব হচ্ছে না।’

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভিড় থাকলেও টিকাদান কক্ষ বেশি থাকায় সময় কম লাগছে। চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা অ্যাস্ট্রাজেনেকার জন্য চারটি কক্ষ দিয়েছি। এ ছাড়া মডার্নার জন্য ১২টি কক্ষ রয়েছে। যাদের এসএমএস এসেছে, তারাই টিকা দিতে পারছে।’

গতকাল রোববার চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন কেন্দ্রে মডার্নার ৯ হাজার ৯১২ প্রথম ডোজ, অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১ হাজার ৪২৪ দ্বিতীয় ডোজ ও সিনোফার্মের ১ হাজার ১০৭ দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন