বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তারিকুল ইসলাম জানান, কারাগারের ভেতরে দুটি কক্ষে আটটি বুথে প্রথমে নিবন্ধনের পর বন্দীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। দৈনিক সর্বনিম্ন ৫০০ বন্দীকে টিকা দেওয়া হবে।

সাক্ষাৎ বন্ধসহ পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কোনো বন্দী এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হননি বলে জানান তারিকুল ইসলাম। তিনি জানান, কারাগারে নতুন বন্দী এলে সতর্কতার অংশ হিসেবে তাঁদের একটা নির্দিষ্ট সময় কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়।

কারাগারে টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক হাসান শাহরিয়ার। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সেলিম আকতার চৌধুরী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহা কারাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) ফজলুল হক।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার মো. শফিকুল ইসলাম খান, চট্টগ্রাম কারা হাসপাতালের চিকিৎসক শামীম রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বন্দীদের টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরুর খবরে স্বজনেরা স্বস্তি বোধ করছেন। বন্দী আবদুল্লাহ আল নোমান দুই বছর ধরে এই কারাগারে বন্দী। তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম জানান, পরিবারের সবাই টিকা নিয়েছেন। তাঁর স্বামী কারাগারে থাকায় এত দিন টিকা নিতে পারেননি। এখন তিনি টিকা পাবেন, এতে তাঁরা স্বস্তি বোধ করছেন।

করোনার সংক্রমণ এড়াতে গত বছরের এপ্রিল থেকে চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দীদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ। তবে বন্দীদের কারা কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ভেতর থেকে স্বজনদের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলার সুযোগ রয়েছে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন