বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবুল কালাম নামের একজন বলেন, ছয় দিন আগে টিকার জন্য নিবন্ধন করেও এসএমএস পাননি। আলহাজ মিয়া বলেন, ৪ জুলাই টিকার নিবন্ধন করেও এসএমএস পাননি। ইমরান মিয়া বলেন, ১২ জুলাই প্রথম ডোজ নিয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজ আগামী ১০ আগস্ট। অথচ এ মাসেই তাঁর ফ্লাইট। কী করবেন বুঝতে পারছেন না। মাসুদ নামের অপর এক বিদেশগামী বলেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিএমইটিতে নিবন্ধন হওয়ার কথা। আবেদনের চার দিন পার হলেও তাঁর নিবন্ধন হয়নি। সুমন আহমেদ বলেন, ভিসার মেয়াদ আছে আর ২২ দিন। এর মধ্যে নিবন্ধন করে দুই ডোজ টিকা নেওয়ার তো সুযোগ নেই।

প্রবাসীদের এসব অভিযোগের ভিত্তিতে টিকা প্রদানে ৮টি চ্যালেঞ্জ এবং সেগুলোর সমাধানে ১১টি সুপারিশ তুলে ধরে বিসিএসএম। লিখিত বক্তব্যে এই ফোরামের সদস্য রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, সার্ভারের ওপর বাড়তি চাপ পড়ায় নিবন্ধনে অনেক সময় লাগছে। বিএমইটিতে নিবন্ধন করা কর্মীদের টিকার জন্য পুনরায় নিবন্ধন করতে গিয়ে ২০০ টাকা দিতে হচ্ছে, এটি দিতে রাজি নন প্রবাসীরা। কারিগরি ত্রুটির কারণে কেউ কেউ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে একাধিকবার টাকা দিচ্ছেন, তা ফেরত পাওয়ার উপায় নেই। তথ্য জানা না থাকায় হয়রানির মধ্যে পড়ছেন অনেকে। অন্যের সহযোগিতায় নিবন্ধন করতে গিয়ে তথ্যে ভুল হলে তা সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়নি। ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও এসএমএস পাচ্ছেন না। গন্তব্য দেশের অনুমোদিত টিকার বিষয়ে তথ্য পাচ্ছেন না প্রবাসীরা।

সুপারিশে বলা হয়, দাম বেশি হলেও প্রবাসীদের জন্য এক ডোজের টিকা আনা দরকার। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এসএমএস দিতে হবে। সংশোধনের উপায় না থাকায় বিএমইটিকে সতর্কতার সঙ্গে নিবন্ধন করতে হবে। প্রচার বাড়ানো দরকার। যাঁদের স্মার্ট কার্ড আছে, তাঁদের কাছ থেকে কোনো ফি না নেওয়া। ভুল করে টাকা গেলে তা ফেরতের ব্যবস্থা করা। সার্ভারের সক্ষমতা বাড়ানো এবং নিবন্ধনের প্রক্রিয়া বোঝাতে ভিডিও টিউটোরিয়াল বানিয়ে ব্যাপক প্রচার করতে হবে।

শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিসিএসএমর কো-চেয়ার এবং ওয়ারবে ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুল হক। সৌদি আরবগামী প্রবাসীদের কোয়ারেন্টিনের জন্য সরকার ঘোষিত ২৫ হাজার টাকার ভর্তুকি অন্য দেশের প্রবাসীদেরও দেওয়ার দাবি ওঠে সংবাদ সম্মেলনে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন