বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাহানারার মতো প্রায় ৫০০ নারী-পুরুষ আজ করোনার টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন। কোনো নিবন্ধন ছাড়া তাঁদের টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালয়। স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও ছিন্নমূল পরিষদের আবেদনের ভিত্তিতে তাঁদের জন্য অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রথম ডোজের ব্যবস্থা করা হয়। প্রথম দফায় রেললাইন লাগোয়া এই বস্তির জন্য দুই হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হচ্ছে।

আজ প্রথম দিনে টিকা দেওয়ার জন্য বস্তিবাসীর ভিড় দেখা গেছে ছিন্নমূল সমন্বয় পরিষদ কার্যালয়ে। বেলা দুইটা থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু বস্তিবাসী তারও আগে থেকে এসে কার্যালয়ের সামনে ভিড় করতে থাকেন। তাঁদের মতে, কোনো ঝামেলা ছাড়া টিকা পেয়েছেন। এতেই তাঁরা খুশি।

অটোরিকশার চালক মো. মিন্টু টিকা দেওয়ার জন্য দুপুরের পর আর গাড়ি নিয়ে বের হননি। বেলা তিনটার দিকে তিনি টিকা দিতে পেরেছেন। মিন্টু বলেন, ‘এত দিন টিকা দেওয়ার জন্য কয়েকজনকে ধরেছিলাম। মোবাইলে নিবন্ধন বুঝি না। তাই পারিনি। এবার একেবারে ঘরের কাছে টিকা দিতে পারলাম। ভালো লাগছে খুব।’

টিকা দিতে আসা হালিমা বেগম মোবাইলে সুরক্ষা অ্যাপে নাম নিবন্ধন করেছিলেন। কিন্তু খুদে বার্তা আসেনি। এ জন্য টিকা দিতে পারেননি এত দিন। এবার টিকা দিতে পেরে তাঁর খুশির সীমা নেই। তিনি বলেন, ‘কোনো ঝামেলা ছাড়া টিকা দিতে পেরেছি। এত দিন মনের মধ্যে একটা ভয় কাজ করত। টিকা দেওয়ার পর করোনা নিয়ে ভয় কেটে গেছে।’

টিকা কার্যক্রমের দায়িত্বে ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন মোহাম্মদ আসিফ খান। তিনি বলেন, টিকা গ্রহণকারীদের নিবন্ধন করা হয়নি। কেবল একটি তালিকা তৈরি করে টিকাদান করা হচ্ছে।

যদি ভবিষ্যতে টিকা সনদ দরকার হয়, তখন কী করা যাবে, এই প্রশ্ন চলে আসছে। এ বিষয়ে মোহাম্মদ আসিফ খান বলেন, টিকা যাঁরা দিচ্ছেন, তাঁদের নাম-ঠিকানা আছে। ভবিষ্যতে যদি সনদ লাগে, সে ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। তবে সবার আগে টিকা দেওয়াটা জরুরি।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন