বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মোট ২৯ হাজার ৮৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

আগের দিন রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন ৩ হাজার ৩৫৯ জন। আর শনাক্তের হার ছিল ১২ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।

কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার বাড়ছে। করোনার ডেলটা ধরনের দাপটে গত বছরের মাঝামাঝি দেশে করোনায় মৃত্যু, রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার বেড়েছিল। তবে আগস্টে দেশব্যাপী করোনার গণটিকা দেওয়ার পর সংক্রমণ কমতে থাকে।

গত মাসের প্রথম দিকেও দেশে করোনা শনাক্তের হার ১ শতাংশের ঘরেই ছিল। তবে ডিসেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে এসে সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। গত মাসের শেষ দিকে যেখানে দৈনিক রোগী শনাক্ত ৫০০–এর ঘরে ছিল, সেখানে ধারাবাহিকভাবে বেড়ে এই সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়ে যায় গত সোমবার। এর এক সপ্তাহের মধ্যেই দৈনিক রোগী শনাক্ত ৪ হাজার ছাড়িয়ে গেল।

করোনার নতুন ধরন অমিক্রন দেশেও শনাক্ত হয়েছে। করোনার এই ধরন অতি সংক্রামক। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান–সমাবেশ বন্ধসহ ১১ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঘরের বাইরে অবশ্যই মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা যাওয়া ৬ জনের মধ্যে ৪ জন নারী ও ২ জন পুরুষ। তাঁদের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে, চট্টগ্রাম বিভাগে দুজন ও রাজশাহী বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

২০২০ সালের মার্চে বাংলাদেশে প্রথম করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এখন পর্যন্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৬ লাখ ৯ হাজার ৪২ জন। সংক্রমিত ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ১২৯ জনের। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৫২ হাজার ৩০৬ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৩৫১ জন সুস্থ হয়েছেন।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন