বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক রোবেদ আমিন প্রথম আলোকে বলেন, ভারত থেকে যাঁরা এখন ফিরছেন, তাঁদেরকে স্থানীয়ভাবেই কোয়ারেন্টিন করা হচ্ছে। তবে সেখান থেকে যাঁরা অন্যান্য জটিল রোগে আগে থেকেই ভুগছিলেন (কোমরবিডিটি) এবং তাঁদের যদি স্থানীয় পর্যায়ে কোয়ারেন্টিনে থাকার ব্যবস্থা না হয়, তাঁদের জন্য অ্যাজমা সেন্টার।

রোবেদ আমিন বলেন, এই মানুষগুলো বিশেষ বিবেচনায় অ্যাজমা সেন্টারে কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। এখানে কোয়ারেন্টিনে থাকার পর যদি তাঁদের কোনো লক্ষণ দেখা দেয় এবং পরীক্ষার পর করোনা পজিটিভ হয়, তাহলে তাঁদের চিকিৎসা অ্যাজমা সেন্টারে হবে। এ ছাড়া তাঁদের রোগ বুঝে যদি নির্দিষ্ট অন্য কোনো হাসপাতালে দরকার হয়, সেখানেও পাঠানো হবে। তিনি জানান, এখন যেহেতু অ্যাজমা সেন্টারে করোনার কোনো রোগী নেই, তাই তাঁরাই থাকবেন।

এ বিষয়ে জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক মু. সাইদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের হাসপাতালে করোনার রোগীদের জন্য ১১৪টি শয্যা ও ১০টি আইসিইউ রয়েছে। তাঁদের সব ব্যবস্থা আছে। ভারত থেকে আসা ব্যক্তিদের এখানে কোয়ারেন্টিন বা চিকিৎসা করা যাবে।

ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ২৬ এপ্রিল থেকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত দুই সপ্তাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। দ্বিতীয়বারের মতো সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ ২৩ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

সীমান্ত বন্ধ থাকলেও বেনাপোল, আখাউড়া ও বুড়িমারি স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশের সুবিধা ছিল। তবে ১৬ মে থেকে কুষ্টিয়ার দর্শনা, দিনাজপুরের হিলি ও রাজশাহীর সোনামুখি দিয়ে লোকজন ভারত থেকে দেশে ফিরতে পারবেন। ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করলে বাধ্যতামূলক ১৪ দিন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

১২ মে প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এখন পর্যন্ত বেনাপোল দিয়ে ৩ হাজার ৭৭ জন এবং আখাউড়া দিয়ে প্রায় দেড় শ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। তবে বুড়িমারি দিয়ে খুব অল্পসংখ্যক বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। তবে পণ্যবাহী যানবাহন আসা-যাওয়া করেছে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন