বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বেলা ১১টায় মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়া বাসের চালক ও সহকারীর অধিকাংশের মুখে মাস্ক নেই। মুখের মাস্ক থুতনিতে নামিয়ে কিংবা খুলে রেখে কেউ পান চিবোচ্ছেন, কোনো চালক আবার সিগারেট টানছেন। চালকের সহকারীরাও মুখ থেকে মাস্ক খুলে সেটা হাতে নিয়ে যাত্রীদের ডাকাডাকি করছেন।

default-image

খিলগাঁওগামী মিডলাইন পরিবহনের একটি বাসের চালক সুমন মিয়া বলেন, ‘বাসের ভেতর বেশিক্ষণ মাস্ক পরে থাকা যায় না। তাই খুলে রেখেছি।’

ওই বাসের চালকের সহকারী রহমত আলীর মুখেও মাস্ক ছিল না। তিনি বলেন, ‘মুখে মাস্ক পরে যাত্রী ডাকাডাকি করা যায় না। মুখ খুললে বা নড়ালেই মাস্ক সরে যায়। তাই একেবারে খুলে রেখেছি।’

বাসের যাত্রীদেরও একই অবস্থা। অনেকের মুখে মাস্ক নেই। মাস্ক কেন পরছেন না, তা জানতে চাওয়া হলে অনেকেই জামা বা প্যান্টের পকেট থেকে মাস্ক বের করে দেখান।
মোহাম্মদপুর থেকে গুলিস্তানগামী মালঞ্চ পরিবহনের একটি বাসে ধানমন্ডির শংকর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত গিয়ে দেখা যায় বাসের ভেতর বসা ও দাঁড়িয়ে থাকা মিলে ৩৯ যাত্রীর মধ্যে ১৭ জনের মুখে মাস্ক ছিল না। এর মধ্যে ১৩ জন যাত্রী মুখ থেকে মাস্ক খুলে থুতনি বা গলায় নামিয়ে রেখেছেন। চারজনের কাছে মাস্কই ছিল না। তাঁদের একজন সীমান্ত স্কয়ার মার্কেটের ব্যবসায়ী সোলাইমান কবীর। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাসা থেকে বেরোনোর সময় তাড়াহুড়োর কারণে মাস্ক সঙ্গে নিতে ভুলে গেছি। দোকানে মাস্ক আছে, সেখানে পরে নেব।’ সব সময় তিনি মাস্ক রাখেন বলেও জানান।

default-image

মালিবাগগামী রমজান পরিবহনের বাসের চালক হাসেম আহমেদের মুখে মাস্ক ছিল না। বাসের সামনের সারিতে বসা দুজন নারী যাত্রীর কারও মুখেই মাস্ক ছিল না। তবে একজন মাস্ক গলায় ঝুলিয়ে রেখেছিলেন। দুজন নারীর কেউই নিজেদের পরিচয় বলতে চাননি। মাস্ক না পরার কারণ জানতে চাইলে একজন বলেন, ‘ওড়না গলা থেকে মুখ পর্যন্ত মাস্কের মতোই পেঁচিয়ে রাখি। তাই মাস্ক প্রয়োজন হয় না।’

এ ছাড়া বিধিনিষেধে দোকান, শপিং মল, বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা ও হোটেল-রেস্তোরাঁ—সব জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলক সবাইকে মাস্ক পরার নির্দেশনা থাকলেও অনেকেই তা মানছেন না।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন