বিজ্ঞাপন

তবে নমুনা পরীক্ষা অন্যান্য সময়ে তুলনায় অনেক কম। গত বুধবার ১৩ হাজার ৪৭১টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছিল। সেখানে ঈদের দিন নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মাত্র ৩ হাজার ৭৫৮ জনের। পরীক্ষা কমেছিল তার আগের দিন বৃহস্পতিবারও, সেদিন ৭ হাজার ৮৩৫টি নমুনা পরীক্ষা হয়।

শুক্রবার শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৮২ শতাংশ আর শনিবার তা কমে ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ হয়েছে। আর আজ শনাক্তের হার আরও কমে ৬ দশমিক ৬৮।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো বুলেটিনে আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের হার ছিল ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ। বুধবার ছিল ৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বুঝতে পারার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা অন্তত দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়।

গত এক দিনে নতুন শনাক্ত ৩৬৩ জনকে নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৮০ হাজার ৫৯।
আর নতুন করে ২৫ জনের মৃত্যু নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ১৪৯।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। তারপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত বছরের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে থাকে।

এ বছরের মার্চ থেকে করোনার সংক্রমণ আবার বেড়ে যায়। মার্চের প্রথমার্ধেই দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা হাজারের ওপরে চলে যায়। বাড়তে থাকে মৃত্যুর সংখ্যাও।

করোনা সংক্রমণ ও এতে মৃত্যু বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশে মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, যা এখনো বহাল। এই বিধিনিষেধে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ধীরে ধীরে সংক্রমণ ও দৈনিক মৃত্যু কমেছে। তবে ঈদ সামনে রেখে শপিং মল ও দোকানে মানুষের ভিড় এবং ঘরমুখী মানুষের ঢল নতুন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন