বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কমিউনিটি ক্লিনিকে টিকা দেওয়ার এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের আগে আরও দুটি ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রথম ক্যাম্পেইনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছিল ৭ আগস্ট। আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছিল ৭ সেপ্টেম্বর। দ্বিতীয় ক্যাম্পেইনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছিল ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর। এর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছিল ২৮ ও ৩০ অক্টোবর।

কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো গড়ে তোলা হয়েছে গ্রামাঞ্চলে। ক্লিনিকগুলোতে মূল দায়িত্ব পালন করেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)। তাঁকে সহায়তা করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের দুজন মাঠকর্মী। সরকার ইতিমধ্যে সব সিএইচসিপিকে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

প্রত্যেক সিএইচসিপি ল্যাপটপ বা ট্যাব ব্যবহার করেন। প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামসুল হক বলেন, সিএইচসিপিদের কাছে এলাকার মানুষের তথ্য আছে। তাঁরা করোনার টিকার নিবন্ধনের জন্য এলাকার মানুষকে সহায়তা করবেন।
কমিউনিটি ক্লিনিকে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি করোনার টিকার সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে টিকাদান অব্যাহত থাকবে। ঢাকা শহরের নির্ধারিত স্কুলগুলোতেও শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া চলবে।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন