বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বছরের ৩০ জানুয়ারি রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে ওই ছাত্রী মারা যান। এ ঘটনায় নিহত ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ মর্তুজাসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করে।

অভিযোগপত্রের তথ্য বলছে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী, মামলার প্রধান আসামি মর্তুজা রায়হান চৌধুরী ও নুহাত আলম তাফসীর সহপাঠী ছিলেন। এ ছাড়া আরাফাত (ক্ষতিকর মদ পানে মারা যান) ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ইংলিশ মিডিয়ামে একসময় সহপাঠী ছিলেন। নিহত ছাত্রী ও আসামিরা একে অপরের পরিচিত ছিলেন এবং একসঙ্গে চলাফেরা করতেন। গত বছরের ২৮ জানুয়ারি ভুক্তভোগী ছাত্রী ও মর্তুজা মিরপুর থেকে স্কুটারে করে মুঠোফোনের চার্জার কেনার জন্য প্রথমে মোতালেব প্লাজায় আসেন। পরে স্কুটারটি আরাফাতের বাসায় রাখা হয়।

পরে তাঁরা উবারের গাড়িতে করে উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় আসেন। আগে থেকে ওই রেস্টুরেন্টে অবস্থান করেন আসামি ফারজানা জামান ও শাফায়েত জামিল। আরাফাতের নির্দেশনা অনুযায়ী, রিয়াজ ও নুরুল আমিন মদ সরবরাহ করেন।

রেস্টুরেন্টে খাবার খাওয়ার পর মর্তুজা, ফারজানা জামান, শাফায়েত, রিয়াজ ও নিহত শিক্ষার্থী একের পর এক মদ পান করতে থাকেন। অতিরিক্ত মদ পানের কারণে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অস্বস্তি বোধ করেন। সেখান থেকে রাত সাড়ে ১২টায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মোহাম্মদপুরে নুহাত আলমের বাসায় আসেন। পরে ওই ছাত্রী ও মর্তুজা একটি কক্ষে অবস্থান করেন। তখন মর্তুজা ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেন। ওই ছাত্রী একাধিকবার বমি করেন। পরে আরও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ভুক্তভোগী ছাত্রীকে অতিরিক্ত মদ পান করানোয় তিনি মারা যান। আসামি নুহাত আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি আসামি মর্তুজা ও ভুক্তভোগী ছাত্রীকে বিবাহবহির্ভূত অনৈতিক সম্পর্কের সুযোগ করে দেন। এ ছাড়া ফারজানা জামান ও শাফায়েত জামিলের বিরুদ্ধে ক্ষতিকর অতিরিক্ত মদ পান করানোর অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়। সেদিন ক্ষতিকর ওই মদ সরবরাহ করেছিলেন আসামি রিয়াজ উদ্দিন ও নুরুল আমিন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন