সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল গ্রামে যৌতুকের দাবিতে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত গৃহবধূর নাম জেসমিন আক্তার (২২)। তাঁর বাড়ি পাবনার বেড়া উপজেলার হাতিগাড়া গ্রামে। এ ঘটনায় জেসমিনের ভাই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে স্বামী মোহাম্মদ আলী, শ্বশুর আব্দুল কুদ্দুস, শাশুড়ি বিলকিছসহ চারজনকে আসামি করে কামারখন্দ থানায় মামলা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, তিন বছর আগে জেসমিনের সঙ্গে কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল গ্রামের মোহাম্মদ আলীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন যৌতুকের দাবিতে জেসমিনের ওপর নানাভাবে নির্যাতন চালাতেন। এ নিয়ে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া হতো। গত শনিবার রাতে এর জের ধরে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মোহাম্মদ আলীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে গলা টিপে হত্যা করেন। এরপর তাঁর মৃতদেহ ঘরের ভেতর ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার করেন। স্থানীয় ব্যক্তিরা থানায় খবর দিলে গতকাল রোববার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। সেই সঙ্গে জেসমিনের শ্বশুর ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করে।
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল উদ্দিন সরকার জানান, প্রাথমিক তদন্তে লাশের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে জেসমিনের স্বামী পলাতক।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন