রংপুর নগরের মাহিগঞ্জ সাতমাথা এলাকার তাওহিদুল ইসলামকে (১১) অপহরণের ১৪ দিন পর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাহিগঞ্জ কিন্ডারগার্টেনের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল সে। গত শুক্রবার বিকেলে সাতমাথা এলাকার একটি নর্দমা থেকে উদ্ধারের পর গতকাল শনিবার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে তাওহিদুলের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোতোয়ালি থানার পুলিশ ও নিহত শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ জানুয়ারি নগরের মাহিগঞ্জ সাতমাথা আমবাড়ি রেলগেট এলাকার দুবাইপ্রবাসী মালিক মিয়ার ছেলে তাওহিদুল ইসলাম ওরফে প্রান্ত নিখোঁজ হয়। ওই দিন বিকেলে সে বাড়ির বাইরে খেলতে গিয়ে আর ফেরেনি। তার মা লাইলী বেগম ছেলে নিখোঁজের ঘটনায় ওই দিন রাতেই কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
লাইলী বেগম জানান, প্রতিদিন খেলা শেষে সন্ধ্যার আগেই সে বাড়িতে ফিরত। কিন্তু সেদিন বাড়ি না ফেরায় আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ও বিভিন্ন স্থানে ছেলেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাননি। এরপর কোতোয়ালি থানায় একটি জিডি করা হয়। ওই জিডি করার পর থেকে মুঠোফোনে বেশ কিছু টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিলেই ছেলেকে পাওয়া যাবে বলে উল্লেখ করা হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
এদিকে শুক্রবার বিকেলে এলাকার শিশুরা খেলতে গিয়ে নর্দমার পাশে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে। এরপর এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, শিশুটির গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু অপহরণকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন