বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শাহবাগ থানায় শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মামলাটি করা হয়। এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ইভানার বোন ফারহানা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আব্বা গতকালও গিয়েছিলেন। থানা মামলা নেয়নি। আজ থানা থেকে ডেকে পাঠিয়েছিল। পরে রাতে মামলা হয়।’

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যার পর প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মামলা করতে পারেননি আমানুল্লাহ চৌধুরী। পরে তাঁরা আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি নেন।

শনিবার রাতে করা মামলায় আসামিরা হলেন ইভানার স্বামী আবদুল্লাহ মাহমুদ হাসান ও ইভানার চিকিৎসক। মামলার এজাহারে আমানুল্লাহ চৌধুরী মেয়ের মৃত্যুর জন্য তাঁর (ইভানার) স্বামীর অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়াকে দায়ী করেছেন। পাশাপাশি আত্মহত্যায় প্ররোচিত করে এমন ওষুধ দেওয়ায় চিকিৎসককে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ওই চিকিৎসকের (নেফ্রোলজিস্টের) পরামর্শপত্র অনুযায়ী ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ইভানাকে গত এক বছর ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছিল। ইভানা তাঁর বন্ধুদের জানান, প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলার জন্য তাঁর স্বামী রুম্মান তাঁকে (ইভানাকে) ঘুমের ওষুধ খাওয়াতেন।

জানতে চাইলে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুদ হাওলাদার বলেন, তাঁরা মামলা তদন্ত করবেন। ২৪ ঘণ্টা পর মামলা কেন নিলেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কিছু বিষয়ে অস্পষ্টতা ছিল। সেগুলো কেটে গেছে।’ এর চেয়ে বেশি কিছু তিনি বলেননি।
ইভানার পরিবারের অভিযোগ, ইভানা ও তাঁর স্বামীর সঙ্গে বিরোধ চলছিল। ১৫ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে আলোচনার জন্য ইভানার শ্বশুরবাড়ি থেকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল ইভানার বাবাকে। সেখানে গিয়ে তিনি মেয়ের লাশ পান।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন