default-image

দুই সপ্তাহের মতো আত্মগোপন করে আবার ঢাকার পথ ধরেছিলেন ময়ূর-২ লঞ্চের মাস্টার মো. আবুল বাসার (৫৭)। রোববার দিবাগত রাতে তিনি ধরা পড়ে যান কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায়।

সোমবার কারওয়ানবাজারের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানায় র‌্যাব।

গত ২৯ জুন সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ফরাশগঞ্জ ঘাটের কাছে ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় মর্নিং বার্ড নামের ছোট একটি লঞ্চ ডুবে যায়। এতে নারী–শিশুসহ ৩৪ জনের মৃত্যু হয়। পরদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা হয়। আবুল বাসার ওই মামলার দুই নম্বর আসামি।

আবুল বাসারকে ধরতে রোববার অভিযান চালায় র‌্যাব-১০ এর উপ-অধিনায়ক মেজর শাহরিয়ার জিয়াউর রহমান।

র‌্যাব জানায়, লঞ্চ দুর্ঘটরার পর থেকে আবুল বাসার আত্মগোপনে চলে যান। ঘটনার পরপরই ঢাকার বিভিন্ন জায়গা ঘুরে তিনি মাগুরায় চলে যান। রাতের খাবার খেয়ে পাশের একটি বাড়িতে চলে যান। পরেরদিন ছিলেন ফরিদপুরে আলফাডাংগায়। সেখানে দুই দিন থেকে তিনি ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার আখালিপাড়া তাঁর এক আত্মীয়র বাসায় ওঠেন। এরপর ঢাকার দিকে রওনা দেন।

র‌্যাব-১০ এর আভিযানিক দলটি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আবুল বাসারের অবস্থান জানতে পেরে তাঁকে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন হাসনাবাদ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন