আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আসামি নাসির উদ্দিন ওরফে কিলার নাসিরকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে নাসিরের জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য আবেদন করা হয়। আদালত নাসির উদ্দিনের জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এই জোড়া খুনের মামলায় দায় স্বীকার করে ৫ এপ্রিল আদালতে জবানবন্দি দেন আসামি মাসুম মোহাম্মদ ওরফে আকাশ। মামলার কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, জাহিদুল ইসলাম ও সামিয়া আফরান জামাল হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন ছয়জন আসামি। তাঁরা হলেন শুটার মাসুম মোহাম্মদ, নাসির উদ্দিন, আবু সালেহ শিকদার ওরফে শুটার সালেহ, মোরশেদুল আলম ওরফে কাইল্যা পলাশ ও আরফান উল্লাহ।

মাসুম মোহাম্মদ আদালতের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে বলেন, এক যুগের বেশি সময় আগে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার ঝামেলা থেকে মুক্ত করার আশ্বাস দেন তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধু মাসুম মোল্লা। মাসুম মোল্লার মুঠোফোন দিয়ে দুই দফা মুসার সঙ্গে কথা বলেন। শামীম তাঁকে জানান, জাহিদুল খুনের পরিকল্পনা হয় মতিঝিলের রুপালি ক্লাবে। এই পরিকল্পনায় অংশ নিয়েছিলেন মুসা, মানিক, দামাল, শামীমসহ আরও চার থেকে পাঁচজন। মুসার নির্দেশনায় জাহিদুল হত্যা মিশনের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন শামীম।

গত ২৪ মার্চ রাত ১০টার দিকে শাহজাহানপুরের আমতলা মসজিদ এলাকায় জাহিদুলকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন রিকশারোহী কলেজছাত্রী সামিয়া আফরান। এ ঘটনায় মাসুম গ্রেপ্তার হন ২৭ মার্চ।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন