রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা এবং শিল্প ও বণিক সমিতির সাবেক প্রশাসক জিয়াউল হককে গতকাল শুক্রবার সকালে অস্ত্র ও দ্রুত বিচার আইনের মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাঁকে পাচ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হলেও এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
রাজশাহী নগরের বোয়ালিয়া মডেল থানার উপপরিদর্শক মতিউর রহমান বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের ১৯(ক) ধারায় একটি এবং দ্রুত বিচার আইনের ৪ ধারায় অপর একটি মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বোয়ালিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহামুদুর রহমান জানান, গতকাল সকালে তাঁকে মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
রাজশাহী রেলভবনে আ.লীগ নেতার গুলি, পরে গ্রেপ্তারবোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, অস্ত্রটি জিয়াউল হকের নামে লাইসেন্স করা হলেও তিনি যেখানে অস্ত্রটি ব্যবহার করেছেন, সেখানে তাঁর আত্মরক্ষার কোনো প্রশ্ন ছিল না। এ জন্য তাঁর নামে অস্ত্র আইনের ১৯(ক) ধারায় মামলা করা হয়। গুলি করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করার অভিযোগে তাঁর নামে দ্রুত বিচার আইনের ৪ ধারায় অপর মামলাটি করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের এক কর্মকর্তাকে দরপত্র নিয়ে ভয় দেখাতে জিয়াউল হক রেল ভবনে তিনটি গুলি ছোড়েন। পরে সন্ধ্যায় তাঁকে রাজশাহী শিল্প ও বণিক সমিতির কার্যালয়ের পাশ থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন