default-image

রাজবাড়ীর পাংশায় ইলিশ শিকারিদের হামলায় মৎস্য কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১২জন আহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের গতমপুর চর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহত তিনজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আহত মৎস্য কর্মকর্তার নাম মো. আবদুস সালাম। তিনি পার্শ্ববর্তী কালুখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা।

কালুখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে পদ্মা নদীতে ইলিশ শিকার বন্ধে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী হাকিম রুমানা আফরোজ, কালুখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবদুস সালাম, কালুখালী থানা-পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কালুখালী উপজেলার মহেন্দপুর ঘাট থেকে অভিযান শুরু করা হয়। একপর্যায়ে অভিযানকারীরা একটি মাছ ধরার নৌকা জব্দ করতে যায়।

কালুখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, অভিযানকারীরা ওই নৌকার পিছু নিলে ওই নৌকায় পাংশা উপজেলার গতমপুর চর এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় ওই নৌকা থেকে অভিযানকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত ১২ জন আহত হন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মজিনুর রহমান বলেন, হামলাকারীরা গুলি ও প্রচুর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে। আহতের মধ্যে তিনজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে কালুখালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য হাফিজুর রহমান রয়েছেন। আহত অন্য ব্যক্তিরাও অভিযান দলের সদস্য। আহতদের প্রথমে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান বলেন, মোট কতজন আহত হয়েছে তা সঠিকভাবে বলতে পারব না। তবে হাফিজ ও সজল নামে দুই পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছে। হাফিজকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সজলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, পুলিশ আত্মরক্ষায় ফাঁকা গুলি ছুড়লে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন