মুক্তা ধর বলেন, ওই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে তাছিন মোড়ল (২২) ও সাব্বির ফরাজীকে (২২) গ্রেপ্তার করেছেন তাঁরা। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার আশুলিয়া এলাকার গাজীর চট এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা খুলনার ফুলবাড়িয়ার একটি কলেজের শিক্ষার্থী।

default-image

মুক্তা ধর বলেন, ৩১ মার্চ আলিফ হত্যায় তাঁর বাবা সৈয়দ আবু তাহের মামলা করেন। মামলায় তাছিন, সাব্বিরসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়। সিআইডি এ হত্যা মামলার ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে দুই কলেজশিক্ষার্থী তাছিন, সাব্বিরসহ কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার তাছিন ও সাব্বির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বলেন, মার্চের গোড়ার দিকে আলিফের বাড়ির পাশে রহমানিয়া এলিমেন্টারি স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন তাঁরা দল বেঁধে সেখানে গিয়ে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করছিলেন। আলিফ অন্য ছেলেদের নিয়ে প্রতিবাদ করেন। তখন আলিফকে তাঁরা দেখে নেবেন বলে হুমকি দিয়ে চলে যান। ৩১ মার্চ সকালে এম এম কলেজ মাঠে আলিফকে একা দেখতে পেয়ে হামলা চালান তাঁরা।

মুক্তা ধর বলেন, আলিফকে তাছিন ছুরিকাঘাত করেন বলে তিনি জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। সাব্বির তখন সেখানে ছিলেন। পরে আহত আলিফকে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসক আলিফকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন