বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরজিতে ওই নারী অভিযোগ করেন, গত বছর ২২ ডিসেম্বর তিনি ওই উপসচিবকে বিয়ের জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু বিবাহিত হওয়ার কথা বলে তিনি (উপসচিব) ওই প্রস্তাব প্রত্যাখান করেন। এটি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাঁকে দেখে নেওয়ারও হুমকি দেন তিনি। তাঁকে চাকরিচ্যুত, এমন কী মিথ্যা মামলার হুমকিও দেওয়া হয়। গত বছর ২৩ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট থানা শিক্ষা কর্মকর্তা তাঁকে কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ওই উপসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে নিষেধ করেন। অন্যথায় চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেন।

বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য তিনি ওই উপসচিবকে গত ৮ জুন লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। কিন্তু তিনি নোটিশের জবাব না দিয়ে উল্টো তাঁকে হুমকি দেন।

আরজিতে নিজেকে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিচয় দেওয়া বাদীর ভাষ্য, তিনি অভিযোগ করতে থানায় যান। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নিয়ে তাঁকে ট্রাইব্যুনালে মামলা করার পরামর্শ দেন।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আদালত পিবিআইকে তিনটি বিষয়ে অনুসন্ধান করতে বলেছেন। এগুলো হলো অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা আছে কি না, ওই নারী অভিযোগ করতে থানায় গিয়েছিলেন কি না ও অভিযোগ করলে সেটি নিতে পুলিশ অস্বীকার করেছিল কি না।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর জাহাঙ্গীর হোসেন হাওলাদার ওই নারীর মামলার আবেদনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন