বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এমএসএফের এপ্রিল মাসের প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, গত মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচয়ে তুলে নেওয়াসহ হেফাজতে মৃত্যু, নির্যাতন ও হয়রানি অনেকাংশে বেড়েছে। বেড়েছে কারা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে তিনজন নাগরিককে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর হেফাজতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

এপ্রিল মাসে কারা হেফাজতে একজন নারীসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় কমলেও উদ্বেগজনক বলে মনে করছে এমএসএফ। মার্চ মাসে কারা হেফাজতে ১০ জন বন্দীর মৃত্যু হয়। এমএসএফ মনে করে, কারাগারে অপর্যাপ্ত চিকিৎসা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে বন্দীরা যথাযথ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই কারাগারের অভ্যন্তরে চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি হেফাজতে মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা সঠিকভাবে তদন্ত করা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, দেশে ধর্ষণ, হত্যা ও পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা বিগত মাসগুলোর মতোই অব্যাহত রয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এপ্রিল মাসে ৩৬৭টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যার মধ্যে ধর্ষণের ঘটনা ৭১টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ১৪টি, ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা দুটি। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৯ জন প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোরী।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে এমএসএফ প্রতিবেদনে বলছে, গণপিটুনির মতো আইন হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায় যে ধর্ষণসহ নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতার ঘটনাও বেড়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ নাগরিকদের বস্তুনিষ্ঠ ও স্বাধীন চিন্তা, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং মতামত অধিকার রুদ্ধ করার মতো ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তে হতাহতের মতো ঘটনাও বন্ধ হয়নি। এ ছাড়া নানা অজুহাতে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেই চলেছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন