নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, চিকিৎসা শাস্ত্রে এম এন হকের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কিংবা সনদ নেই। কিন্তু তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সেজে মানুষকে অপচিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে এমবিবিএস ডিগ্রি ও উচ্চতর ডিগ্রির ভুয়া সনদ বিক্রি করছিলেন। ডিবির এক কর্মকর্তা সম্প্রতি এমবিবিএস সনদ কিনতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তিনি ওই কর্মকর্তাকে সনদ দিতে রাজি হন ও তাঁকে রোগী দেখার কাজ চালিয়ে যেতে বলেন। ওই সূত্র ধরে এম এন হককে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বুধবার রাতে ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মো. ফারুক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন