default-image

কদমতলীর দক্ষিণ দনিয়ায় আমিনুল ইসলাম ডালিম (৩২) নামের এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। ওই দুই তরুণ হলেন কাইল্লা মুরাদ (২১) ও বাঘা রাজু (২৪)। অভিযুক্ত দুজনের বিরুদ্ধেই হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

আজ সোমবার কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ খবর জানান র‌্যাব-১০-এর অধিনায়ক মাহফুজুর রহমান। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি শুটারগান ও একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের আশঙ্কা, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাছে আরও অস্ত্রশস্ত্র আছে।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে আমিনুল ইসলাম ডালিমকে ছুরিকাহত করে একদল সন্ত্রাসী। আমিনুল ডিশ ব্যবসা করেন। স্থানীয় ইতালি মার্কেটে আমিনুলের একটি দোকান আছে। ঘটনার দিন আমিনুলের মোটরসাইকেলে ঘষা লেগেছিল সন্ত্রাসীদের। এতেই তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং আমিনুলের ওপর চড়াও হন। এই ঘটনায় কদমতলী থানায় ৮-১০ জনকে আসামি করে মামলা হয়। তাঁদের মধ্যে দুজন গ্রেপ্তার হলেন।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার দুজন কিশোর বয়স থেকেই এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই করে আসছিলেন। ওই এলাকার মানুষ তাঁদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। তাঁরা নিয়মিত এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে থাকেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মুরাদের বিরুদ্ধে তিনটি হত্যাকাণ্ডসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে। এর আগেও তিনি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরে জামিনে বেরিয়ে আসেন। এলাকায় তাঁদের পৃষ্ঠপোষক কে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব জানায়, এখনো তদন্ত চলছে। এখনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য তাদের হাতে নেই।

কাইল্লা মুরাদ ও বাঘা রাজু দুটি আলাদা দল চালান। মাঝেমধ্যে দুই দল এক হয়ে অভিযান চালায়। এখন পর্যন্ত ওই এলাকায় সক্রিয় ১১-১২ জন সন্ত্রাসীর খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। কৈশোর থেকে এলাকায় নানা অপরাধে যুক্ত ছিলেন, তাহলে র‌্যাব কী করল? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব জানায়, দলের কাউকে কাউকে তারা আগে গ্রেপ্তার করেছে। র‌্যাব এখনো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

আমিনুল ইসলাম ডালিম এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কোপের আঘাত রয়েছে তাঁর।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন