নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
বাগেরহাটের মংলায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন হয়েছেন।
কালিয়ায় নিহত ব্যক্তির নাম এনামুল হক (৩২)। তিনি হেদায়েতপুর গ্রামের মুজিবর রহমানের ছেলে।
মংলায় নিহত ব্যক্তি হলেন মোহাম্মদ শেখ (৪০)। তিনি উপজেলার সোনাইলতলা ইউনিয়নের চাপড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বড়নাল-ইলিয়াছাবাদ ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরেই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মনিরুজ্জামানের সঙ্গে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অপর সদস্য নজরুল ইসলামের বিরোধ চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় স্কুলশিক্ষক সলেমান মোল্যা বলেন, গত সোমবার রাতে স্থানীয় বাজারে দুই পক্ষের দুই সমর্থকের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এর জের ধরে গতকাল সকাল আটটার দিকে বড়নাল-ইলিয়াছাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় গুলিতে নজরুলের সমর্থক এনামুল হক নিহত হন। এনামুল হেদায়েতপুর গ্রামের মুজিবর রহমানের ছেলে। ওই ঘটনায় আহত হন ২০ জন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, ‘চেয়ারম্যানের শটগানের গুলিতে ছেলেটা মারা যায়।’
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান বলেন, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ওই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে ইউপি চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামানকে আটক করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রতিবেশী বলেন, চাপড়া গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে মোহাম্মদ শেখ (৪০), গোলাম মোস্তফা (৩৫) ও মুজাহিদ শেখের (৩০) মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে সোমবার বিকেলে মোস্তফা ও তাঁর স্ত্রী কোমেলা এবং ছোট ভাই মুজাহিদ মিলে বড় ভাই মোহাম্মদ শেখকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মোহাম্মদ শেখ মারা যান।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন