বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আইএফআইসি ব্যাংকের আইন বিভাগের কর্মকর্তা কে এম শাজরাতুল ইয়াকিন আল নুহ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, একটি প্রতারক চক্র নিজেদের আইএফআইসি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা আকরাম হোসেন, আকরামুল হক, এইচ এম আকরাম, আকরাম চৌধুরী পরিচয় দিয়ে ব্যাংকের নিবন্ধিত নম্বরের (দুটি নম্বর) প্রায় অনুরূপ নম্বর ব্যবহার করে গ্রাহকদের কল দেন। তাঁরা গ্রাহকদের মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) জানতে চাইলে সরল বিশ্বাসে তাঁরা তা দিয়ে দেন। পরে চক্রটি গ্রাহকদের টাকা আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ নম্বরে সরিয়ে নেয়। তবে এই ব্যাংকে আকরাম হোসেন, আকরামুল বা আকরাম চৌধুরী নামে কোনো কর্মকর্তা নেই।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ব্যাংকটির বিয়ানীবাজার, শেরপুর, ঘোড়াশাল ও সিলেট উপশহর শাখার কয়েকজন গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ করেন প্রতারক চক্রের সদস্যরা।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের একজন সংগ্রাম কর্মকার প্রথম আলোকে বলেন, ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তাঁর ক্রেডিট কার্ডের তথ্য জানতে চান। সরল বিশ্বাসে তিনি এসব তথ্য জানিয়ে দেন। পরে তাঁর হিসাব থেকে ১ লাখ টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়। ব্যাংকে অভিযোগ জানানোর পর তাঁর হিসাবে টাকা ফেরত পাঠানো হয়।

এর আগে সংঘবদ্ধ ডিজিটাল জালিয়াত চক্রের সদস্যরা লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের ৯০ জন গ্রাহকের ৫৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে রাজধানীর বনানী থানায় গত ২১ মার্চ মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন