বিজ্ঞাপন

গতকাল শুক্রবার ঈদুল ফিতরের দিন সন্ধ্যায় উপজেলার পৃথ্বিমপাশা ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূর স্বামী মামলা করেছেন আজ শনিবার বিকেলে। অভিযুক্ত মবশ্বিরের বাড়ি পার্শ্ববর্তী শরীফপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাদানগর গ্রামে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই গৃহবধূ কিছুদিন ধরে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। মবশ্বির কবিরাজ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। গৃহবধূর চিকিৎসার জন্য তাঁর স্বামী ওই কবিরাজের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন। শুক্রবার বিকেলে মবশ্বির চিকিৎসার জন্য তাঁদের বাড়িতে যান। একপর্যায়ে মাগরিবের নামাজ পড়ার কথা বলে তিনি গৃহবধূর স্বামী ও শাশুড়িকে ঘরের বাইরে চলে যেতে বলেন। পরে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে ফেলেন। এর কিছু সময় পর গৃহবধূর চিৎকার শুনে স্বজনেরা দরজায় ধাক্কাধাক্কি করলেও মবশ্বির সাড়া দিচ্ছিলেন না। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে গৃহবধূ কেঁদে কেঁদে বলেন, মবশ্বির তাঁকে ধর্ষণ করেছেন।

এ সময় মবশ্বির পালানোর চেষ্টা করলে আশপাশের লোকজন ধাওয়া করে তাঁকে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে তাঁকে আটক করে থানায় নেয়। ওই গৃহবধূকে রাতেই মৌলভীবাজার জেলা সদরে অবস্থিত ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কুলাউড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ আলম ভূঞা প্রথম আলোকে বলেন, মবশ্বিরকে গৃহবধূর স্বামীর করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার বিকেলে মৌলভীবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। আদালতের নির্দেশে তাঁকে মৌলভীবাজারের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন