পুলিশ জানায়, ওই নারীর নাম শারমিন বেগম (৩৮)। তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
খিলক্ষেত থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহরাব হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, খিলক্ষেত থেকে পূর্বাচল যাওয়ার পথে উড়াল সড়কের ঢালের পাশে শারমিনের লাশ অর্ধেক মাটিচাপা দেওয়া ছিল। ৩০০ ফুট সড়কের সংস্কার কাজে নিয়োজিতরা লাশ দেখে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে শারমিনকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মাটিচাপা দিয়ে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। তাঁর শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

সোহরাব হোসেন বলেন, প্রথমে শারমিনের পরিচয় জানা যায়নি। অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেওয়া হয়। আঙুলের ছাপে পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁর গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুরে। কারা তাকে হত্যা করেছে, উড়াল সড়কের পাশে তার লাশ কীভাবে এলো—বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন