খুলনা শহরে গত বৃহস্পতিবার রাতে দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খালিশপুর টিঅ্যান্ডটি অফিসের পাশে মো. মহিবুল্লাহ নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আর দৌলতপুরের মধ্যডাঙ্গার একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে রুবেল ইসলাম ওরফে কালা নামের আরেক যুবকের লাশ। তাঁর শরীরে কোপের চিহ্ন রয়েছে।
মহিবুল্লাহর ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ গতকাল শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত পাঁচজনকে আটক করেছে। তবে গতকাল বিকেল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
নিহত মহিবুল্লাহ (২৫) শহরের প্লাটিনাম কাঁচা কলোনি এলাকার তজিবর রহমানের ছেলে। আর রুবেল (২৭) মধ্যডাঙ্গা এলাকার মানিক ডাক্তারের বাড়ির ভাড়াটে নুরুল ইসলামের ছেলে। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা জানা যায়নি। দুটি ঘটনাতেই মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমীর তৈমুর ইলী বলেন, খালিশপুর টিঅ্যান্ডটি অফিসের গেটের সামনে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কয়েকজন যুবক মহিবুল্লাহকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে গেলে পথে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে ক্রিকেট ব্যাট ও স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। মহিবুল্লাহর মাথার ডান পাশের পেছনে ও মুখের বাঁ পাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।
ওসি জানান, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন পাঁচ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। নিহত যুবকের বাবা তজিবর রহমান এজাহার জমা দিয়েছেন। আজ (শুক্রবার) রাতের মধ্যেই মামলা হবে।
দৌলতপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, রুবেলকে তাঁর পূর্বপরিচিত লোক ফোন করে রাত দেড়টার দিকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি আর বাসায় ফেরেননি। গতকাল সকালে মধ্যডাঙ্গার একটি ডোবায় তাঁর মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। রুবেলের ঘাড় ও হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
ওসি বলেন, রুবেল পেশাদার মাদক বিক্রেতা ছিলেন। মাদক নিয়ে বিরোধের জেরে রাসেল নামে অপর এক মাদক বিক্রেতা তাঁকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন