default-image

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় পুলিশি পাহারার মধ্যে যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা হামলা হয়েছে। এতে শিশুসহ পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন। দগ্ধ হয়েছেন অন্তত ২৯ জন। গতকাল শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার তুলসিঘাট এলাকায় গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পেট্রলবোমার আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন চারজন যাত্রী। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। লাশ চারটি গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দগ্ধ যাত্রীদের মধ্যে সুজন (১৩) নামের এক শিশু আজ শনিবার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। 
গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশ ও দগ্ধ যাত্রীদের কাছ থেকে জানা যায়, জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সীচা বাজার থেকে গতকাল রাত নয়টার দিকে নাপু এন্টারপ্রাইজ নামের একটি বাস ৫০-৬০ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। বাসটি গাইবান্ধা শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে যাওয়ার পর সেখান থেকে পুলিশ পাহারায় অন্তত ২৫-৩০টি যানবাহনের সঙ্গে আবার ঢাকার পথে রওনা দেয়। রাত ১১টার দিকে তুলসিঘাট এলাকায় বাসটিতে পেট্রলবোমা ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। এতে বাসটিতে আগুন ধরে যায়। আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রী মারা যান। দগ্ধ হন অন্তত ৩০ জন। তাঁদের গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ২০ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। 
গাইবান্ধায় বাসে পেট্রলবোমায় চারজন নিহত
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, দগ্ধ যাত্রীদের মধ্যে সুজন নামের এক শিশু আজ সকাল সাতটার দিকে মারা যায়। 

যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা হামলায় হতাহতের তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোশাররফ হোসেন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন