মাদারীপুরে গোসল করতে গিয়ে প্রথম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় গতকাল সোমবার রাতে স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শিবচর থানায় মামলা করেছেন। পরে অভিযান চালিয়ে গতকাল রাতেই অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অভিযুক্ত কিশোর স্থানীয় একটি খাবার হোটেলে শ্রমিকের কাজ করত। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুরের একটি গ্রামে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকে সাত বছর বয়সী ওই স্কুলছাত্রী। গতকাল দুপুরে স্কুল শেষে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে যায় সে। এ সময় পুকুরপাড়ে বড়শি দিয়ে মাছ ধরছিল অভিযুক্ত কিশোরটি। পুকুরের আশপাশে কেউ না থাকায় মেয়েটিকে ডাক দিয়ে পাড়ে তোলে সে। পরে দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে কিশোরটি। এ সময় স্কুলছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে কিশোরটি পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন মেয়েটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় গতকাল রাতেই মেয়েটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে স্কুলছাত্রীর মা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের পাশের বাড়িতে ভাড়া থাকত ওই কিশোর ও তার বড় ভাই। মাঝেমধ্যেই সে আমার মেয়ের হাত ধরে টানাটানি করত। আমি এই ঘটনার সঠিক বিচার চাই।’

তবে অভিযুক্ত কিশোরের বড় ভাই এমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন যে তাঁর ছোট ভাইকে ফাঁসানো হচ্ছে।

শিবচর থানার কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণের মামলা করেছেন। আমরা রাতেই অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছি। আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁকে কিশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসা জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0