বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাচ্চু বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে অধিকতর পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। এ জন্য আজ শনিবার তাঁদের বগুড়ার আদালতে নিয়ে সাত দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন জানানো হবে।

পুলিশ জানায়, ৮ সেপ্টেম্বর সকালে গাড়িদহ ইউনিয়নের রামেশ্বরপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় লুৎফর রহমান নিহত হন। গ্রেপ্তার এড়াতে ওই দুই আসামি উত্তরায় আত্মগোপনে ছিলেন। সেখানে তাঁরা পৃথক দুটি নির্মাণাধীন ভবনে নির্মাণশ্রমিকের কাজ করতেন। গতকাল বিকেলে প্রথমে মামুনুর রশিদকে উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আবদুল মান্নানকে সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে বাবা লুৎফর রহমানের জমিতে গাছের চারা রোপণ করছিলেন মশিউল আলম। এ সময় মামুনুর ও মান্নান তাঁর ওপর হামলা করলে ছেলেকে উদ্ধারের জন্য লুৎফর রহমান এগিয়ে আসেন। প্রতিপক্ষের আঘাতে লুৎফর ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ঘটনায় মশিউল আলম বাদী হয়ে গ্রেপ্তার মামুনুর, মান্নানসহ সাতজনকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। দ্রুতই তাঁদের গ্রেপ্তার করে আইনের মুখোমুখি করা হবে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন