চট্টগ্রাম থেকে চুরি হওয়ার সাত দিন পর গতকাল শনিবার নয় মাস বয়সী একটি শিশুকে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন আবদুস সালাম এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারী শোভা দে ও মো. নাছির।
পুলিশ জানায়, আরিয়াল ফেরদৌস নামের ওই শিশুকে ৭ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার খাজা রোডের বাসা থেকে গৃহপরিচারিকা চুরি করে নিয়ে যায়। নাঙ্গলকোটের রুনা আক্তার নামে এক নারীর বাসা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
আরিয়াল ফেরদৌস খাজা রোডের পাক্কা দোকান এলাকার ব্যবসায়ী শরীফ আরজুর ছেলে। শরীফ আরজু বলেন, ‘গৃহপরিচারিকা সুইটি আক্তার দেড় মাস আগে আমার বাসায় কাজ নেয়। ৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরের দিকে ঘরে আমার স্ত্রী ছিলেন। এ সময় গৃহপরিচারিকা সুইটি অন্য কক্ষে কাজ করছিল। আমার ছেলে আরিয়ালও ওই কক্ষে ছিল। কিছুক্ষণ পর আমার স্ত্রী ওই কক্ষে গিয়ে দেখে আরিয়াল ও সুইটি নেই।’
পুলিশ জানায়, এ ঘটনার পর শরীফ আরজু চান্দগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তে জানা যায়, সুইটি শিশুটিকে নিয়ে প্রথমে সালামের কাছে যায়। এরপর সুইটি, সালাম, নাছির ও শোভা দে শিশুটিকে নাঙ্গলকোটের রুনার কাছে বিক্রি করে দেয়।
চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম বলেন, সুইটি ওই তিনজনের সহযোগিতায় আরিয়ালকে ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়। ফোনের কললিস্ট ধরে গতকাল নাঙ্গলকোট থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। রুনা এ সময় পালিয়ে যান।
চান্দগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম শহীদুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার তিনজন জানিয়েছেন, শিশুটিকে বিক্রির পর সুইটি ৩০ হাজার টাকা পেয়েছে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন