ছাত্রদলের এক কর্মীকে মারধর করার সময় মুঠোফোনে ভিডিওচিত্র ধারণ করার ‘অপরাধে’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন ছাত্রলীগের কর্মীরা। গতকাল বুধবার দুপুরে কলাভবনের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। অবশ্য পরে ওই শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
ওই শিক্ষার্থী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির লালন মিয়া। তিনি মুহসীন হলের ছাত্রলীগের কর্মী। আর মারধরের শিকার ছাত্রদলের কর্মীর নাম বদিউজ্জামান। তাঁকেও পুলিশে দেওয়া হয়। তবে তাঁর বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।
মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান দাবি করেন, লালন ছাত্রলীগের কেউ নন। তিনি বলেন, ‘নাশকতার পরিকল্পনা করছে এমন অভিযোগ পেয়ে আমরা বদিউজ্জামানকে আটক করি। এ সময় লালন ভিডিও করছিলেন। তাঁর গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে।’
তবে হল শাখা ছাত্রলীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, হল কমিটি হওয়ার আগ পর্যন্ত লালন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কিন্তু কমিটিতে কোনো পদ না পাওয়ায় পরবর্তীতে তিনি আর সক্রিয় না থেকে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ৬ মার্চ তাঁর বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। হলে তাঁর এক ঘনিষ্ঠজন বলেন, লালন ওই সময় কলাভবন থেকে ক্লাস শেষ করে বের হন। রাতে শাহবাগ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তের পর লালনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর বদিউজ্জামানের ছাত্রদলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাঁকে আগামীকাল (আজ) আদালতে নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন