বিজ্ঞাপন

ঘটনার সাড়ে তিন বছর পর ২২ অক্টোবর পিবিআই দড়িগাঁও গ্রামের নান্টু মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে। নান্টু স্থানীয়ভাবে পেশাদার কিলার হিসেবে পরিচিত। নান্টু ওই দিনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দির সূত্র ধরে আটক করা হয় ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আল আমিনকে। আল আমিন পরদিন আদালতে স্বীকারোক্তি দেন। দুজনের স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে মূলত হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আবদুল্লাহ আল মামুন। ব্যবসায়িক লেনদেনের সূত্র ধরে লায়েছকে খুন করতে চেয়েছিলেন মামুন। সেই কারণে দুই লাখ টাকার বিনিময়ে তাঁদের ভাড়া করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাতে ঘরে ঢুকে মশারির নিচে একজনকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখে খুন করে চলে আসেন। পরবর্তী সময়ে বুঝতে পারেন টার্গেট ভুল হয়েছে। ছোট ভাইকে খুন করতে গিয়ে বড় ভাইকে খুন করে এসেছেন খুনিরা। স্বীকারোক্তির পর থেকে মামুনকে আটক করার জন্য পিবিআই তৎপর হয়ে ওঠে।

লায়েছ বলেন, ‘মামুনের সঙ্গে আমার লেনদেন ছিল। এ নিয়ে ঝামেলাও চলছিল। তবে মামুন আমাকে খুন করার জন্য খুনি পাঠাতে পারেন, এমনটা ধারণা করতে পারিনি।’

পিবিআই হেফাজতে মামুন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে চলেছেন। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, লায়েছের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও লেনদেন ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক মো. মজিবুর বলেন, স্বীকারোক্তিতে স্পষ্টতই উঠে এসেছে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মামুন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যে আদালতের মাধ্যমে মামুনকে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হবে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন