মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের সম্মাননা ক্রেস্টে সোনা কেলেঙ্কারিতে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি না হওয়ায় মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইন কমিশনের চেয়ারম্যান, সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। একই সঙ্গে তিনি মুক্তিযোদ্ধা সনদ প্রদানে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা না মানা এবং এর দীর্ঘসূত্রতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে গতকাল শনিবার ‘বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর’ দ্বিতীয় বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে খায়রুল হক এ কথা বলেন।
বিচারপতি খায়রুল হক বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বন্ধুদের পদক নিয়ে যে প্রতারণা হলো এবং যারা পদকে সোনা চুরি করল, তাদের উপযুক্ত শাস্তি যেন হয়। এটা শুধু কয়েক ভরি সোনার ব্যাপার নয়, এটা সরকারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। যাঁরা এটা করেছেন তাঁরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করেছেন। কিন্তু এদের শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি আমরা দেখিনি।’
এর জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত কমিটি করার ক্ষেত্রে সিনিয়রিটির জটিলতার কারণে বিলম্ব হচ্ছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হলেও শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। যারা পুরো বাঙালি জাতিকে কলঙ্কিত করেছে, তারা ছাড় পাবে না।’
মুক্তিযোদ্ধা সনদ প্রদান নিয়েও খায়রুল হকের বক্তব্যেরও জবাব দেন মন্ত্রী।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মেসবাহ কামাল, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিম।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন