default-image

কক্সবাজারের টেকনাফে মো. আবদুল আজিজ (১১) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের লাশ নিখোঁজের তিন দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। সে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে এবং একই এলাকার মুহাম্মদিয়া ইবতেদায়ি দাখিল মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্চপিয়া এলাকার টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন সমুদ্রসৈকতের জঙ্গলের ভেতর থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মোহাম্মদ খুরশেদ আলম।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, শনিবার রাতে পথচারীরা দুর্গন্ধ পেয়ে ওই জঙ্গলে এগিয়ে গিয়ে দেখতে পায়, একটি শিশুর মৃতদেহ পড়ে আছে। পরে পথচারীরা বিভিন্ন লোকের কাছে ফোন দিলে নিখোঁজ হওয়া শিশুর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে রাত নয়টার দিকে থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে।

বিজ্ঞাপন

নিখোঁজ শিশুর বাবা ফরিদ মিয়া বলেন, আজিজ ৪ নভেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিল। খোঁজাখুঁজির পর আজিজকে না পেয়ে বাবা বাদী হয়ে একই এলাকার বাসিন্দা ছৈয়দ হামজা, ছৈয়দ হামজার ছেলে আবদুল্লাহ ও ছৈয়দ আলমের ছেলে রায়হানকে আসামি করে থানায় একটি অভিযোগ করেন।

ফরিদ মিয়ার ভাষ্য, ৪ নভেম্বর দুপুরে দিকে আবদুল আজিজ পাশের দোকানে খাবারের জন্য যায়। সেখানে আবদুল্লাহ জরুরি কথা আছে বলে তাঁর ছেলেকে দেখা করতে যেতে বলেন। ছেলে বাড়িতে খাবার রেখে আবদুল্লাহর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। তাঁর অভিযোগ, ‘পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে হত্যা করে জঙ্গলের ভেতরে ফেলে রাখা হয়েছে। আমি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মোহাম্মদ খুরশেদ আলম বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

মন্তব্য পড়ুন 0