বিজ্ঞাপন

নিখোঁজ শিশুর বাবা ফরিদ মিয়া বলেন, আজিজ ৪ নভেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিল। খোঁজাখুঁজির পর আজিজকে না পেয়ে বাবা বাদী হয়ে একই এলাকার বাসিন্দা ছৈয়দ হামজা, ছৈয়দ হামজার ছেলে আবদুল্লাহ ও ছৈয়দ আলমের ছেলে রায়হানকে আসামি করে থানায় একটি অভিযোগ করেন।

ফরিদ মিয়ার ভাষ্য, ৪ নভেম্বর দুপুরে দিকে আবদুল আজিজ পাশের দোকানে খাবারের জন্য যায়। সেখানে আবদুল্লাহ জরুরি কথা আছে বলে তাঁর ছেলেকে দেখা করতে যেতে বলেন। ছেলে বাড়িতে খাবার রেখে আবদুল্লাহর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। তাঁর অভিযোগ, ‘পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে হত্যা করে জঙ্গলের ভেতরে ফেলে রাখা হয়েছে। আমি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মোহাম্মদ খুরশেদ আলম বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন