কক্সবাজারের টেকনাফে গত বৃহস্পতি ও গতকাল শুক্রবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পৃথক তিনটি অভিযানে ৬৬ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার হয়েছে। এ সময় আটক করা হয়েছে একজনকে।
বিজিবি সূত্র জানায়, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি চালান আসছে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে শাহপরীর দ্বীপ চৌকির ৫ নম্বর স্লুইসগেট এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় সন্দেহ হওয়ায় প্যারাবন থেকে বেড়িবাঁধে উঠে আসা দুই ব্যক্তিকে থামার সংকেত দেন টহল দলের সদস্যরা। কিন্তু সংকেত উপেক্ষা করে তারা পার্শ্ববর্তী গ্রামের ভেতরে পালিয়ে যায়। তবে একটি বস্তা ফেলে যায় তারা। ওই বস্তায় ৫০ হাজার ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়।
বিজিবি সূত্র আরও জানায়, গতকাল ভোর ছয়টার দিকে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়ায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের ডাকবাংলো-সংলগ্ন এলাকায় নাফ নদীর তীরে টহল দিচ্ছিল বিজিবির একটি দল। এ সময় সন্দেহ হওয়ায় এক নৌকার মাঝিকে থামার সংকেত দেন টহল দলের সদস্যরা। কিন্তু সংকেত উপেক্ষা করে নদীতে লাফ দিয়ে সাঁতরে পার্শ্ববর্তী কেওড়া জঙ্গলে পালিয়ে যান মাঝি। পরে ওই নৌকায় ১০ হাজার ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। নৌকাটি জব্দ করা হয়েছে।
৪২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আবু জার আল জাহিদ প্রথম আলোকে বলেন, পৃথক ঘটনায় উদ্ধার হওয়া ইয়াবা বড়ি ও নৌকার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৮১ লাখ টাকা। ইয়াবা বড়িগুলো বিজিবির ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে জমা রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে উখিয়া উপজেলার থাইংখালী এলাকায় কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে কক্সবাজারগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালায় ডিবি। এ সময় ব্যাগের ভেতরে থাকা ছয় হাজার ইয়াবা বড়িসহ আবদুর রহিম (৩৮) নামের একজনকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মধ্যম ফুলের ডেইল এলাকার মৃত ওমর আলীর ছেলে।
কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ওসি) দেওয়ান আবুল হোসেন জানান, এ ঘটনায় উখিয়া থানায় মাদক আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন