ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্ধিত সভাস্থলে গতকাল মঙ্গলবার হামলা ও ভাঙচুর হয়েছে। সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিকে প্রধান অতিথি না করায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের তিন কর্মী জানান, গতকাল বিকেলে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্ধিত সভা আহ্বান করা হয়। সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দবিরুল ইসলামকে এড়িয়ে সাধারণ সম্পাদক সাদেক কুরাইশীকে প্রধান অতিথি করা হয়। সাদেক কুরাইশী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মকবুল হোসেন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে সভাস্থলে যান।
সভায় উপস্থিত দুজন জানান, বেলা তিনটায় সভা শুরু হয়। এর পরপরই একদল নেতা-কর্মী সভাস্থলে হামলা চালায়। হামলাকারীরা দবিরুল ইসলামকে প্রধান অতিথি না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁরা সভাস্থলের চেয়ার ও মিলনায়তনের দরজা-জানালার কাচ ভাঙচুর করেন।
হামলা ও ভাঙচুরের ঘণ্টাখানেক পর শাকিল চৌধুরীকে সভাপতি ও আব্দুল ওয়াফুকে সাধারণ সম্পাদক করে সদর উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। একই সময় ইমরান হাসানকে সভাপতি ও নূর ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে করে পৌরকমিটি ঘোষণা করা হয়।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ শিকদার বলেন, একপক্ষ তাদের পছন্দের কর্মীদের হাতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্ব তুলে দিতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিকে অবহিত না করেই বর্ধিত সভার তারিখ নির্ধারণ করেছিল। অপরদিকে, সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিকে অতিথি না করায় তাঁর সমর্থকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে হামলা ও ভাঙচুর করে। তবে তিনি নতুন উপজেলা ও পৌরকমিটিকে অবৈধ বলেন।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মো. কামরুজ্জামান বলেন, বর্ধিত সভায় কাকে অতিথি করা হবে, তা কমিটি ঠিক করবে। এ অজুহাতে বহিরাগতদের দিয়ে সভায় হামলা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন