দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মামুনুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গত বৃহস্পতিবার নামিরাকে শহীদুল ইসলামের কাছে রেখে আইইএলটিএস পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন মা তাসলিমা জাহান। বাসায় ফিরে দেখেন শিশুটির মাথা থেকে রক্ত ঝরছে। তাকে স্থানীয় একাধিক হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল ভোরে হাসপাতালে সে মারা যায়।

ওসি বলেন, বিষয়টি জানার পর শিশুটির মা ও সৎবাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে অনুসন্ধান এবং দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে শহীদুল ইসলাম জানান, কারণে-অকারণে শিশুটিকে তিনি চড়-থাপ্পড় দিতেন। গতকালও শিশুটিকে চড়-থাপ্পড় দেন তিনি। এই থাপ্পড়ে ছিটকে গিয়ে খাটের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মাথায় গুরুতর আঘাত পায় শিশুটি।

পুলিশ জানায়, শহীদুল ইসলাম ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলের পাচক। আর শিশুটির মা তাসলিমা জাহান ওই হোটেলেরই কোরিওগ্রাফার। চাকরির সুবাদেই তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। সাত-আট মাস আগে তাসলিমা আগের স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটিয়ে শহীদুলকে বিয়ে করেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন