বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভার বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র ও সহকারী মহাপরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধ নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে।

গতকালের সভায় উপস্থিত ছিলেন ৬৪ জেলার পুলিশ সুপাররা। এ ছাড়া অংশ নেন পুলিশের নয়টি রেঞ্জের (হাইওয়ে রেঞ্জসহ) উপমহাপরিদর্শক, আট মহানগরের আটজন পুলিশ কমিশনার, র‍্যাবের সব ব্যাটালিয়ন প্রধান, র‌্যাবের মহাপরিচালক, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান, পুলিশের বিশেষ শাখার প্রধান এবং পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইজিপি বেনজীর আহমেদ। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অপরাধ ও অভিযান) এম খুরশীদ হোসেন।

সভা সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (অপরাধ) ওয়াই এম বেলালুর রহমান সারা দেশে ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, দ্রুত বিচার, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা, অপহরণ, চুরি, কিশোর অপরাধ, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারসংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অপরাধের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় পরের তিন মাসে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট রেঞ্জের কিছু জেলায় ডাকাতি বেড়েছে। একই সময়ে সারা দেশে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় মামলা বেশি হয়েছে।

সভায় ঢাকা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হাবিবুর রহমান জানান, থানা-পুলিশের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতে ঢাকা রেঞ্জের ১৩ জেলার ৯৬ থানায় বসেছে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা। সেই ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে সেগুনবাগিচায় রেঞ্জের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে। এর মাধ্যমেই থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তার কক্ষ, হাজতখানা মনিটরিং করা হয়।

অপরাধ সভায় ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, তিনি ওয়ারেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ডব্লিউএমএস) নামের একটি সফটওয়্যার চালু করেছেন। এতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের মধ্যে কারা গ্রেপ্তার এড়িয়ে আছেন, তা জানা যায়।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খুরশীদ হোসেন বলেন, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট রেঞ্জে ডাকাতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদক মামলা বেশি হওয়ায় বোঝা যায় মাদক উদ্ধার বেড়েছে, এটা অব্যাহত রাখতে হবে। কোনোভাবেই মাদকের বিস্তার বাড়াতে দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, ঢাকা রেঞ্জের থানা মনিটরিং পদ্ধতি ভালো মনে হলে অন্যরাও তা করতে পারেন।

সভার শেষ দিকে আইজিপি বলেন, সহকারী পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের শুধু মেট্রোপলিটন পুলিশ নয়, জেলা পর্যায়েও কাজ করতে হবে। এতে তাঁদের দক্ষতা বাড়বে। তিনি বলেন, পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগে স্বচ্ছতা ও পরিবর্তন আসছে। পুলিশে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন