বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খোকন আলী আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় (আউট সোর্সিং), আশরাফুল আলম ল্যাব সহকারী (অস্থায়ী ভিত্তিতে ব্লাড ব্যাংকে কর্মরত) ও মামুনুর রশিদ সরকার হাসপাতালের অফিস সহায়ক। মামুনুর ডেপুটেশনে হাসপাতালের করানোর নমুনা পরীক্ষা কেন্দ্রে (ফ্লু কর্নার) কর্মরত ছিলেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা নানা কৌশলে ভুয়া নাম নিবন্ধন করে হাসপাতাল থেকে করোনার নমুনা সংগ্রহের কিট উত্তোলন করতেন। সেই কিট দিয়ে করোনার উপসর্গ আছে এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নমুনা সংগ্রহ করতেন।

বিনিময়ে রোগীদের কাছ থেকে এক থেকে দুই হাজার টাকা নিতেন। গত মে মাস থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত হাসপাতালের বুথে এবং বাহির থেকে ভিটিএম টিউব সংগ্রহ করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহের মাধ্যমে বাড়তি অর্থ আদায় করতেন। এ ছাড়া বিদেশগামী যাত্রীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে করোনার পজিটিভ রিপোর্টকে নেগেটিভ করতেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন