এহসানুল হক সমাজী বলেন, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় সম্রাটের পক্ষে জামিন চেয়ে আজ আবেদন করা হয়। শুনানি নিয়ে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেন।

এহসানুল হক সমাজী আরও বলেন, অন্যদিকে রমনা থানায় করা অর্থ পাচারের মামলায় সম্রাটকে তিন দিন রিমান্ডে নিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করে পুলিশ। আসামিপক্ষে রিমান্ড নাকচের পাশাপাশি সম্রাটের জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি নিয়ে আদালত সম্রাটকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নাকচ করেন। একই সঙ্গে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই দুটি মামলা ছাড়া সম্রাটের বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা বিচারাধীন। একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা। অন্যটি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা। এই দুটি মামলায় সম্রাট এখনো জামিন পাননি।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাট ও তাঁর সহযোগী তৎকালীন যুবলীগ নেতা এনামুল হক আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তখন র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারের সময় সম্রাট ও আরমান মদ্যপ ছিলেন। তাঁদের কাছে বিদেশি মদ ছিল। এ কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেন।

গ্রেপ্তারের পর সম্রাট ও আরমানকে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় আনা হয়। ঢাকায় আনার পর সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালায় র‍্যাব। সম্রাটের কার্যালয়ে বন্য প্রাণীর চামড়া, মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র পাওয়ার কথা জানানো হয়। বন্য প্রাণীর চামড়া রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত সম্রাটকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। অস্ত্র ও মাদক রাখায় সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা করা হয়। পরে সিআইডি তাঁর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করে। আর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক।