default-image

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুনানি পিছিয়েছে। ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭-এর বিচারক মো. শহিদুল ইসলাম এই দিন ধার্য করেন।

আসামি লুৎফুজ্জামান বাবর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। মামলার শুনানি থাকায় বাবরকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে বাবর–সমর্থকদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাবরকে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালত সূত্র বলছে, এই মামলায় আজ যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ঠিক ছিল। দুদকের পক্ষ থেকে আদালতের কাছে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। শুনানি নিয়ে আদালত যুক্তিতর্ক শুনানির নতুন দিন ধার্য করেন। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলাটির তদন্ত করে ওই বছরের ১৬ জুলাই দুদক বাবরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আর দুদকের অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২০০৮ সালের ১২ আগস্ট বাবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

মামলার নথিপত্রের তথ্য অনুযায়ী, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৭ কোটি পাঁচ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয় বাবরের বিরুদ্ধে। মামলার এজাহারে বলা হয়, সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য ২০০৭ সালের ৫ জুলাই বাবরকে নোটিশ দেয় দুদক। পরে বাবর ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১২ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব বিবরণী দুদকে জমা দেন। তদন্তকালে লুৎফুজ্জামান বাবরের গুলশানের একটি ব্যাংকে ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকার লেনদেনের হিসাব পাওয়া যায়। এই টাকা বাবরের ব্যাংক হিসেবে এসেছিল সিঙ্গাপুর থেকে। এ বিষয়ে দুদক জিজ্ঞাসাবাদ করলেও কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি বাবর। এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে অভিযোগপত্রভুক্ত নয়জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন