default-image

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে অবৈধভাবে গাড়ি পার করার দায়ে চারজনকে জেল–জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাঁদের মধ্যে ২ জনকে ৬ মাস করে কারাদণ্ড এবং অপর ২ জনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। গতকাল বুধবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ইউএনও আমিনুল ইসলাম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল-মামুন।

অবৈধভাবে গাড়ি পারাপার করার অপরাধে কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন দৌলতদিয়া ঘাট এলাকার সুজন খন্দকার (২৮) ও ছাত্রদলের সাবেক নেতা আতিয়ার রহমান (৩৬)। এ ছাড়া একই অপরাধে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকার রাজীব মন্ডল (২৮) ও উজ্জল ফকিরকে (২৭) জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশ সূত্র জানায়, আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে দৌলতদিয়া ঘাটে স্থানীয় কিছু অপরাধী চক্রের সদস্য তৎপরতা শুরু করেছে। এ ছাড়া স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ছত্রছায়ায় ঘাট এলাকার বেশ কয়েকজন ব্যক্তি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে আসা ঢাকাগামী পণ্যবাহী যানবাহন থেকে বাড়তি টাকা নিয়ে আগে ফেরিতে তুলে দিচ্ছে। গতকাল রাত দশটার দিকে দৌলতদিয়া ট্রাফিক পুলিশ বক্স এলাকায় ওই চক্রের সদস্যরা নিয়ম লঙ্ঘন করে গাড়ি আগে পার করার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় ঘাট এলাকায় কর্তব্যরত গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল হাতেনাতে কথিত সাংবাদিক সুজন খন্দকার ও ছাত্রদলের সাবেক নেতা আতিয়ার রহমানকে আটক করে। একই সময় রাজীব মন্ডল ও উজ্জল ফকিরকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সুজন খন্দকার ও আতিয়ার রহমানকে কারাদণ্ড এবং রাজীব মন্ডল ও উজ্জল ফকিরকে জরিমানা করা হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, গতকাল রাতে ঈদে ঘরমুখী মানুষ ও যানবাহন যাতে নির্বিঘ্নে পারাপার হতে পারে সে জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করছিল। এ সময় অবৈধভাবে কয়েকটি যানবাহন থেকে বাড়তি সুবিধা নিয়ে আগেভাগে ফেরিতে তুলে দেওয়ার অভিযোগে চারজনকে আটক করে শাস্তি দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন