সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ের চেয়ার ভাঙচুর ও ব্যানার কেটে ফেলা হয়েছে। ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক এক চেয়ারম্যানের নির্দেশে এ ঘটনা ঘটেছে।
ইউনিয়নের চাপাইতি বাজারে গত শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তিনটি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে।
এলাকাবাসী বলেন, সপ্তাহখানেক আগে পাশের তাহিরপুর উপজেলার এক ভাড়াটে মোটরসাইকেলচালকের সঙ্গে ধরমপাশা উপজেলার মধ্যনগর এলাকার আরেক ভাড়াটে মোটরসাইকেলচালকের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে এক সপ্তাহ ধরে তাহিরপুর-মধ্যনগর এলাকায় ভাড়াটে মোটরসাইকেলের যোগাযোগ বন্ধ আছে। ঘটনাটি মীমাংসা করার জন্য উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে।
স্থানীয় লোকজন ও চাপাইতি বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, গত শনিবার রাত একটা থেকে দেড়টার মধ্যে ৮-১০ জনের একটি দল উপজেলার বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের চাপাইতি বাজারে আসে। এ সময় তারা তিনটি মনোহারী দোকান ভাঙচুর ও একটি দোকান থেকে মালামাল লুটে নিয়ে যায়। এরপর তারা ওই বাজারে থাকা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের দলীয় অস্থায়ী কার্যালয়ে হামলা চালায়। তারা পাঁচ-ছয়টি চেয়ার ভাঙচুর করে এবং কার্যালয়ের ভেতরে টানানো একটি ব্যানার ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলে।
৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জহুর উদ্দিন বলেন, পাশের তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ ও তাঁর লোকজনের সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ আছে। আর এর জের ধরে হারুন অর রশিদের নির্দেশে তাঁর লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ নিয়ে থানায় মামলা করা হবে।
হারুন অর রশিদ বলেন, এই ঘটনায় তাঁর বা তাঁর লোকজনের সম্পৃক্ততা নেই। আর তাঁর সঙ্গে জহুর উদ্দিনের কোনো বিরোধ নেই। তাঁকে হয়রানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মধ্যনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) লুৎফুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি গতকাল রোববার সকালে ঘটনাস্থলে যান। এ ঘটনায় থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন