ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল গ্রামে মো. শাহিনের (৩৫) বিরুদ্ধে স্ত্রী রূপা বেগমকে (১৯) হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে শাহিন পলাতক।
নিহত গৃহবধূর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে উপজেলার বালুখণ্ড গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে রূপা বেগমের সঙ্গে যন্ত্রাইল গ্রামের মৃত রহমান মেম্বারের ছেলে মো. শাহিনের বিয়ে হয়। গত সোমবার রাতে শাহিন রূপার মা রোখসানা বেগমকে মুঠোফোনে জানায়, রূপার মুঠোফোনে কে বা কারা ফোন দিয়েছিল। এ নিয়ে রূপার সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডা হলে সে রূপাকে মারধর করে। এ সময় রোখসানা বেগম রূপার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে ‘কথা বলা যাবে না’ এবং ‘রূপাকে আমি মেরে ফেলব’ বলে মুঠোফোনের সংযোগ কেটে দেয় শাহিন। এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শাহিন আবার রূপার মাকে মুঠোফোনে জানায়, সে রূপাকে মেরে ফেলেছে। এর পর থেকে শাহিনের মুঠোফোন বন্ধ থাকে। রূপার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাসার জানান, ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় রোখসানা বেগম বাদী হয়ে শাহিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এদিকে ঢাকার দোহার উপজেলার ধোয়াইর এলাকার পদ্মা নদী থেকে গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে দোহার থানার পুলিশ অজ্ঞাতনামা একটি মেয়েশিশুর (৫) লাশ উদ্ধার করেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পদ্মায় লঞ্চডুবির ঘটনায় লাশটি ভেসে এসেছে।

বিজ্ঞাপন
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন