default-image

নবাব সলিমুল্লাহর নাতি হিসেবে পরিচয় দেওয়া আলী হাসান আসকারি এবং তাঁর স্ত্রী ও শ্যালকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার মধ্যরাতে মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ শহরের কোর্টপাড়া থেকে শ্যালক রায়হান উদ্দীন ওরফে জনিকে গ্রেপ্তার করেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রতারণা করে ১৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের মো. রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় ঢাকার আলী হাসান আসকারি (৫০) এবং চুয়াডাঙ্গা শহরের সবুজপাড়ার মো. হাতেম আলীর ছেলে রায়হান উদ্দীন ওরফে জনি (৩০) ও মেয়ে মোছা. হেনা আসকারিকে (৩৫) আসামি করা হয়েছে। হেনা হলেন আলী হাসান আসকারির স্ত্রী এবং রায়হান শ্যালক।

বিজ্ঞাপন

থানায় দায়ের করা মামলায় রফিকুল উল্লেখ করেছেন, তাঁর বোন মোছা. লোটাস খাতুন সম্মান চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী। বোনের চাকরির জন্য তিনি বিভিন্ন লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আত্মীয়তার সূত্র ধরে যোগাযোগ করলে হেনা জানান, তাঁর স্বামী নবাব পরিবারের সন্তান। বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। রায়হানও বোনের কথা সমর্থন করেন। তাঁদের কথায় বিশ্বাস করে ২০১৮ সালের ২৩ মে এবং ২০১৯ সালের ১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর তিন দফায় ব্যাংক হিসাব ও সরাসরি মোট ১৩ লাখ টাকা দেন। ১৩ লাখ টাকা নিয়ে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিলেও তা দেয়নি। তাঁদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা হলে বিভিন্নভাবে ঘোরাতে থাকেন। গত ২৯ অক্টোবর গণমাধ্যমের খবরে আলী হাসান আসকারির গ্রেপ্তারের খবর জানতে পারেন তিনি।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান মামলার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মন্তব্য পড়ুন 0