default-image

বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকার একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২৮টি সোনার বার জব্দ করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাতে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই বাড়ির বাসিন্দা মোহাম্মদ ফারুক ওরফে কালামনি (৩৮) ও তাঁর স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছে থাকা আরও দুই লাখ টাকা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার স্বামী-স্ত্রী চোরাচালান চক্রের বাহক হিসেবে কাজ করেন।

উদ্ধার করা সোনার বাজারমূল্য ৩ কোটি টাকার বেশি বলে পুলিশ আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানিয়েছে। স্থানীয় লোকজন ও জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে পুলিশ মিয়ানমার সীমান্তবর্তী আশারতলি এলাকার অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে মোহাম্মদ ফারুক ওরফে কালামনির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২৮টি সোনার বার ও ১ লাখ ৯৯ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এ সময় পুলিশ মোহাম্মদ ফারুক ও তাঁর স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে গ্রেপ্তার করে। মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী আশারতলি গ্রামটি উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত।

বিজ্ঞাপন

নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুরুল আবছার বলেন, নাইক্ষ্যংছড়িতে ঘুমধুম, আশারতলি, গর্জনিয়া এলাকাসহ কয়েকটি সীমান্ত দিয়ে সোনা ও ইয়াবা পাচারকারীরা সক্রিয় রয়েছে। এ পর্যন্ত ইয়াবার বড় বড় কয়েকটি চালান বিজিবি ও পুলিশ উদ্ধার করেছে। কিন্তু সোনা চোরাচালানের চালান এবারেই প্রথম পুলিশের কাছে ধরা পড়েছে। গ্রেপ্তার ফারুক ও তাঁর স্ত্রী বাহকের কাজ করেন। কয়েক দফা হাতবদল হয়ে চালান পৌঁছায় বলে গ্রেপ্তারকৃতরা মূল পাচারকারীদের সম্পর্কে তথ্য দিতে পারবেন কি না সন্দেহ।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসাইন জানান, আশারতলি ৪৬ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছ দিয়ে জব্দ সোনার বারগুলো পাচার করার কথা গ্রেপ্তার ফারুক জানিয়েছেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে মূল পাচারকারীদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনসহ আরও অজ্ঞাতনামা তিন-চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন